কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বিশেষ থেরাপি!

Sports আজকের খবর
dailyekettorbangla.com
কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বিশেষ থেরাপি!

বিশ্ব প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই এখনও চলছে। চোখে না দেখা এই শক্রর মোকাবিলা করতে প্রতিষেধক আবিষ্কারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে বিস্বের সবাই। এরই মধ্যে প্রায় ৫০০ টিরও বেশি ক্লিনিকাল ট্রায়াল নিয়ে কাজ করছে বিজ্ঞানীরা।

তবে এবার কোভিড এর জন্য এক কার্যকরী চিকিৎসার কথা বলছেন বিজ্ঞানীরা। এটি হল মেডিসিনাল সিগন্যালিং সেল (এমএসসিএস) থেরাপি ব্যবহার করে করোনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেণ গবেষকরা। ওয়াল্ড স্ট্রিট জার্নালে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা করেছেন ‘কেভিন কিমবারলিন’।ঠিক এরই মধ্যে দুইটি গবেষণায় এই বিশেষ থেরাপির কার্যকারিতা প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে গবেষকরা।

প্রথমত জানা যায়, এই সেলগুলো মৃতের হার অনেকাংশে কমিয়ে আনে। বিশেষ করে বেশি অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে।

কেভিন কিমবারলিনি আরও জানান, এই সেল ভাইরাসকে নির্মূল করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুগুলোকে কাজ করে। তাছাড়া একই সাথে এতগুলো কাজ করার ক্ষমতা করোনার অন্য কোনো ওষুধে এখন পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। জীবন বাঁচাতে অসাধারন ভূমিকা রাখছে এই থেরাপি মনে করছেন গবেষকরা।

এই পর্যন্ত দুইটি গবেষণায় ২৫ (পচিশ) জন গুরুতর অসুস্থ রোগীর উপর থেরাপিটি এপ্লাই করা হয়েছে। এতে করে প্রথম ১২ জনের ১০ জন সুস্থ হয়েছেন এবং দ্বিতীয় ১৩ জনের ১১ জন সুস্থ হয়েছেন।

চিকিৎসা বিজ্ঞানিরা বলছেন, এই থেরাপিটি আমাদের জন্য চরতকার হতে পারে করোনা মোকাবেলায়।এম.এস.সি.এস টি কোষের পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং প্রদাহ হ্রাস করে। বুকের এক্সেরে করেই এটি বোঝা যায় যে এর কার্যকারিতা কত। মাঝে মাঝে থেরাপির শুরুর ৪৮ ঘণ্টা পরেও এটি কাজ করতে থাকে।

এবং মেসোব্লাস্ট স্টাডিতেও সফলতার সাথে কাজ করেছিল এম.এস.সি.এস। তবে যদি স্টেরয়েডগুলো প্রদাহ বন্ধ না করে, তবে সেক্ষেত্রে শতকরা ৮০ (আশিঁ) ভাগ আক্রান্ত শিশু মারা যায়। তবে এম.এস.সি.এস এর একটি ট্রায়ালে স্টেরয়েডগুলোতে সাড়া না দেওয়ায় ২৩৯ রোগীর থেকে ১৬০ জন বেঁচে ছিলেন এবং তাদের টিস্যুও স্বাভাবিক হয়েছে।

মে মাসের ট্রায়ালের ফল সেপ্টেম্বরের শেষেই পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে এখনও এই চিকিৎসার জন্য কত টাকা খরচ হবে তা জানা যায় নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *